রাস্তায় মা হলেন পা’গ’লী, পুলিশের ডাকেও এলো না অ্যা’ম্বুলে’ন্স

খোলা আকাশের নিচে রাস্তায় প্র’স’ব যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন না’রী। অনেকেই সেখানে ভিড় ক’রেন। একসময় কেউ একজন পু’লি’শে ফোন দেন। পরে পু’লি’শ আসলে এক পুত্র সন্তানের জ’ন্ম দেন,

ঐ মানসিক ভারসাম্যহীন (‘পাগলী’) না’রী। সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হা’সপাতা’লের অদূরে মহাসড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচে ঘ’টেছে এমন ঘ’ট’না। খবর পেয়ে ফৌজদারহাট পু’লি’শ ফাঁড়ির ই’ন’চা’র্জ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলাম ছুটে যান সেখানে। কিন্তু ততক্ষণে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জ’ন্ম দেন সেই না’রী।

শফিক এ দৃশ্য দেখে এই মানসিক ভারসাম্যহীন মা ও তার সন্তানকে হা’সপাতা’লে পাঠাতে বেশ কয়েকটি অ্যা’ম্বু’লে’ন্সকে ফোন ক’রেন।কিন্তু রো’গী মানসিক ভারসাম্যহীন শুনে কেউই এগিয়ে আসেননি। শেষে নিজের ডিউটির গাড়িতে তুলে নিয়ে এই না’রী ও তার সদ্য জ’ন্ম নেওয়া ছেলেকে চমেক হা’সপাতা’লে নিয়ে ভর্তি করান  ইন্সপেক্টর শফিক।

ফৌজদারহাট পু’লি’শ ফাঁড়ির ই’ন’চা’র্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হা’সপাতা’লের সামনেই ঐ মানসিক ভারসাম্যহীন না’রী প্র’স’ব যন্ত্রণায় ছটপট করছিলেন। এ দৃশ্য দেখে লোকজন আমাকে জানায়। কর্তব্যের কারণেই সেখানে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি খোলা আকাশের নিচে এই প্রচণ্ড,

শীতের মধ্যেই তার সন্তানের জ’ন্ম হয়ে গেছে। আমি স্থা’নী’য় এক মহিলাকে অনুরোধ ক’র’লে তিনি আনুসাঙ্গিক কাজগুলো ক’রে দেন। তারপর কয়েকটি অ্যা’ম্বু’লে’ন্সকে খবর দেই। কিন্তু ‘পাগলী’ শুনে কেউ এগিয়ে আসেনি। শেষে আমি নিজের ডিউটির গাড়ি দিয়েই তাদেরকে চমেকে নিয়ে যাই।

তিনি আরো জানান, রাতে সাড়ে ৮টায় তাদেরকে চমেকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ৩২নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। তারা সু’স্থ এবং ডা’ক্তা’রদের তত্ত্বাবধানে আছেন।