মৃ’ত্যুর পর আমা’র ভাস্কর্যও হতে পারে: হিরো আলম

দেশে ভাস্কর্য নিয়ে চলমান বিত’র্কের মধ্যেই মডেল, অ’ভিনে’তা ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যা’পক আ’লোচিত-বিত’র্কিত হিরো আলম বলেছেন, ভাস্কর্য যারা বানিয়েছেন তারা রাখার জন্যই বানিয়েছেন।

ভাস্কর্য নিয়ে কে কী’’ বললো তা দেখার সময় নেই, দেশে ভাস্কর্য থাকবে। আমি মানুষের মনে জায়গা ক’রে নিয়েছি। তাই মৃ’ত্যুর পরে আমা’র ভাস্কর্যও হতে পারে। রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে দেশের একটি গণমাধ্যমের স’ঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। হিরো আলম বলেন, ভাস্কর্য সবার হয় না। শুধুমাত্র নামিদামি ও গুণী মানুষ,

প্রজ্ঞাবান ব্য’ক্তি ও গুণী শিল্পীদেরই ভাস্কর্য হয়ে থাকে। যারা বলছে ভাস্কর্য ভাঙতে হবে তারা ঠিক বলছেন না। মৃ’ত্যুর পরে আমা’র ভাস্কর্য হতে পারে। তিনি বলেন, যাদের ভাস্কর্য ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে তাদেরকে এক শ্রেণির মানুষ দে’খতে পারে। আবার অন্য শ্রেণির মানুষ দে’খতে পারে না। যারা ভাস্কর্য দে’খতে পারে না তারা সারাজীবনই এই ভাস্কর্য নিয়ে বিরো’ধিতা করবে।

মৃ’ত্যুর পরে কি আপনার ভাস্কর্য হতে পারে? এমন প্রশ্নে হিরো আলম বলেন, বাংলাদেশে অনেক মানুষ আ’লোচিত-স’মালোচিত হয়। ফেসবুকে অনেকেই ছয় মাস কিংবা এক বছর ভাই’রাল হয়। পরে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আলোচনা বলেন কিংবা স’মালোচনা- যেকোনও বিষয়ে আমি হিরো আলম এক এক ক’রে পাঁচটি বছর মাঠে টিকে আছি।

আমি যদি ভালো কাজ না করতাম তাহলে এতো মানুষের হৃদয়ে জায়গা পেতাম না। মানুষ আমাকে নিয়ে এতোকিছু করতো না। আমাকে নিয়ে মানুষের ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ আমা’র ভাস্কর্য বানাতে চায়। ২০১৮ সালে আ’লোচিত হিরো আলমের ভাস্কর্য তৈরি ক’রেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ভাস্কর্য বিভাগের একজন শিক্ষার্থী।

সেসময় হিরো আলম প্রথমে শুনে বিশ্বা’স ক’রতে পারেননি যে তার ভাস্কর্যও তৈরি হতে পারে। তাই তিনি নিজে সশ’রীরে ভাস্কর্যটি দে’খতে যান। হিরো আলম বলেন, আমি জিরো থেকে হিরো হয়েছি। মানুষের ভালোবাসার কারণে জিরো থেকে হিরো। চেহারা কোনও ফ্যাক্টর নয়। ভালোবাসার কারণে আজ আমি এতদূ’র আসতে পেরেছি। মানুষের যোগ্যতা সবচেয়ে বড় বিষয়।